কুবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি

কুবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি

ওসমান হাদি হত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা চত্বরের হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনকিলাব মঞ্চ-র ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়ে শহিদ মিনারে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।

মিছিলে ‘বাংলাদেশের আজাদি, উসমান হাদী’, ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘হু ইজ হাদি, হাদি ইজ বাংলাদেশ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’, ‘কে বলেরে হাদি নাই, হাদি সারা বাংলায়’, ‘বাংলাদেশের পতাকায়, হাদিকে দেখা যায়’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। এছাড়াও কুবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মশিউর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘শহিদ ওসমান হাদি যে লড়াইটা আমাদের ভেতরে জাগিয়ে দিয়ে গেছেন, আমাদের সবাইকেও যদি মেরে ফেলা হয়, এখন আর সেই লড়াই বন্ধ করার কোনো সুযোগ নাই। আমাদের দেশে বিপ্লব হয়, গণ-অভ্যুত্থান হয়, এরপরে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী রাজনৈতিক নেতা তৈরি হয়। যাদের মধ্যে দিয়ে আজাদি আসে, যাদের মধ্যে দিয়ে বিপ্লব সংগঠিত হয় তাদেরকেই মুছে ফেলবার একটা চেষ্টা করা হয় এবং তাদেরকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে দিয়ে তারা মূলত বিপ্লবটাকেই হত্যা করে ফেলে।’

তিনি বলেন, ‘গত ঈদের পর থেকেই জুলাই ফাউন্ডেশনের জন্য সরকারের জায়গা থেকে আর কোনো বাজেট পায় না। সরকারের কাছে ঢাকা থেকে কুমিল্লা রেললাইন করবার জন্য ৮৬ হাজার কোটি টাকা আছে। কিন্তু জুলাইকে বাঁচাইয়া রাখার জন্য সরকারের কাছে একটা টাকাও নাই। কারণ জুলাইরে বাঁচাইয়া রাখলে, টেন্ডারবাজি করা যাবে না, চাঁদাবাজি করা যাবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই, বেগম জিয়া যেভাবে বাংলাদেশের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন, জিয়াউর রহমান যেভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জীবন দিয়েছেন, আমরা তারেক রহমানকে তেমন চিন্তা করেছিলাম, যে উনিও এইভাবে এসে বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাষ্ট্র ক্ষমতার হাল ধরবেন। কিন্তু তার সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যে, উনি বাংলাদেশের, এই মানুষগুলোকে গত সতেরো বছর লন্ডনে থাকবার কারণে চিনতে পারছেন না।’

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন