দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইচএসটিইউ) শিক্ষার্থীদের চলচ্চিত্র বিষয়ক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘এইচএসটিইউ ফিল্ম ক্লাব’-এর নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোঃ রাকিবুল হুদা তাজমুল সভাপতি এবং শেখ বশির মাহমুদ রাজিব সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।
সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র চর্চাকে আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেই এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হলো। বিদায়ী সভাপতি তৌফিক এবং সাধারণ সম্পাদক আসিফ বিন আলিম অনিক সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পূর্বের (২০২৫-২০২৬) কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করে এই নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়। একই সাথে আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি আত্মপ্রকাশ করবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ রাকিবুল হুদা তাজমূল বলেন, “Film Club HSTU-এর President হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের, গর্বের এবং একইসাথে অনেক বড় একটি দায়িত্বের। এই পদ আমাকে যতটা আনন্দ দিয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ভাবিয়েছে—কীভাবে আমাদের ক্লাবকে আরও সৃজনশীল, আরও প্রাণবন্ত এবং নতুন গল্পের জন্মদানের একটি জায়গা করে তুলতে পারি।
আমি বিশ্বাস করি, একটি ভালো চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন দেয় না; মানুষের চিন্তাকে নাড়া দেয়, প্রশ্ন করতে শেখায়, অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলে। আর সেই গল্প বলার যাত্রায় Film Club HSTU-কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে আমাদের লক্ষ্য।
এই পথচলায় আমি একা নই। আমার সহযোদ্ধা হিসেবে থাকবে ক্লাবের প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি স্বপ্নবাজ মানুষ এবং গল্প বলতে চাওয়া প্রতিটি কণ্ঠ।
ক্যাম্পাসে চলচ্চিত্র চর্চার ধারা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক শেখ বশির মাহমুদ রাজিব বলেন, ‘HSTU Film Club-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার কাছে নিছক কোনো পদ নয়; এটি আমার প্রতি রাখা এক টুকরো বিশ্বাস, একরাশ ভালোবাসা এবং অনেক বড় একটি দায়িত্ব। ক্যামেরার ফ্রেমে আমরা গল্প দেখি,আর বাস্তব জীবনে আমরা গল্প তৈরি করি।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি—প্রতিটি মানুষের ভেতরেই একটি গল্প আছে; শুধু সেই গল্পটাকে বলার মতো একটি মঞ্চ দরকার।এই নতুন দায়িত্বে আমার চেষ্টা থাকবে সেই মঞ্চটাকে আরও বড় করার।যেখানে নতুনরা স্বপ্ন দেখবে,সৃজনশীলরা নিজেদের প্রকাশ করবে,আর আমাদের ছোট ছোট গল্পগুলো একদিন বড় পর্দায় জায়গা করে নেবে। এ পথচলা হোক গল্পের, স্বপ্নের, সৃষ্টির।’
নতুন এই নেতৃত্বকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
