পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বরের পরিবর্তে উত্তরপত্রে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে খাতা মূল্যায়নের সময় পরীক্ষকের কাছে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৫৪তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং সিস্টেম চালুর বিষয়ে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। পরে ৭৫তম রিজেন্ট বোর্ডের সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ইংরেজি বিভাগে কোডিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে। অন্যান্য বিভাগে গুলোও এ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রচলিত পদ্ধতিতে উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর দৃশ্যমান থাকায় মূল্যায়নকারী শিক্ষক পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারেন। এ কারণে খাতা মূল্যায়নে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে। পছন্দের শিক্ষার্থীকে বেশি নম্বর দেওয়া কিংবা ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক বিরোধের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে একাডেমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠেছে।

এসব অভিযোগ ও আশঙ্কা এড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে পরীক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখার উদ্যোগ হিসেবে কোডিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বরের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় পরীক্ষক পরীক্ষার্থীর পরিচয় জানতে পারবেন না।

এ বিষয়ে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মজনু আলম বলেন, নাম-রোল নম্বরবিহীন খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি বা কোডিং সিস্টেম একটি আধুনিক, ন্যায়সংগত ও কার্যকর মূল্যায়ন পদ্ধতি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় মূল্যায়নে প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ থাকে না। ফলে পরিচয় নয়, উত্তরপত্রের মান ও শিক্ষার্থীর মেধাই হয়ে ওঠে মূল্যায়নের একমাত্র ভিত্তি।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতি পক্ষপাতমুক্ত ও সমতাভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এ পদ্ধতির কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু করায় আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘সামনের পরীক্ষাগুলোতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা খাতায় কোডিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবির ভিত্তিতে আমরা এই সিস্টেম চালু করেছি। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে আরও আপগ্রেড করা যায়, তা নিয়ে আমরা ভাবছি। এই কোডিং সিস্টেম নিয়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকদের নিয়ে আমরা সেমিনার করব। আশা করি, এই সিস্টেমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের যথাযথ মূল্যায়ন

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন