জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগতকে ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনায় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান শুভর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার (ডব্লিউআরসি) সংলগ্ন জঙ্গল এলাকা থেকে পাঁচ বহিরাগতকে আটক করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় নেওয়া হয় এবং অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সঙ্গে শাহরিয়ার খান শুভর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও পুলিশের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম বলেন, “বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিষয়টি সিকিউরিটি অফিস দেখছে এবং পুলিশও এটি নিয়ে কাজ করছে। আমরা খোঁজখবর নিয়েছি। সিকিউরিটি অফিসকে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রক্টরের বক্তব্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা শাখার প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার গুরুত্ব ও সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে শাহরিয়ার খান শুভর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে খুদে বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে শুভ দাবি করেন, রাতে তার এক পরিচিত ব্যক্তি ক্যাম্পাসে আসার কথা জানালে তিনি ডেইরি গেটে গিয়ে তাদের সঙ্গে কয়েকজন নারীকে দেখতে পান। পরে তিনি তাদের দায়িত্ব নিতে পারবেন না বলে জানান এবং রাতে বাইরে না থেকে ক্যাম্পাসের ভেতরে কোথাও বসে থাকার পরামর্শ দেন।