এক স্বৈরাচারের বিদায়ের পর নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি : নাহিদ ইসলাম

এক স্বৈরাচারের বিদায়ের পর নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি : নাহিদ ইসলাম

হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে এক স্বৈরাচারকে বিদায় দেওয়া হলেও দেশে এখন নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে আয়োজিত এক গণবিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।

সমাবেশে ক্ষমতাসীন দলের তীব্র সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের দেশ পরিচালনার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাস কায়েম করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, পতন হওয়া স্বৈরাচার এবং এই নতুন স্বৈরাচার—উভয়কেই রাজপথে পরাজিত করা হবে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে এনসিপির আহ্বায়ক অভিযোগ করেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। সীমান্তে হত্যা, পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি এবং ধর্মীয় নানা উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বর্তমান সরকার ভারতের এই চক্রান্ত থেকে দেশকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

জাপান সফর ও আন্তর্জাতিক চুক্তি প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতকে কোনো ধরনের অবৈধ করিডোর দেওয়ার অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না। পাশাপাশি আগামী ডিসেম্বরে গঙ্গা চুক্তির নবায়নে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা আদায় না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

দেশে চলমান খুন ও নৈরাজ্যের দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম সতর্ক করে বলেন, পদত্যাগ না করা হলে এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং দাবি আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন