সাঁথিয়ায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিএনপিকে বাইরে রেখে অনুষ্ঠান করায় ক্ষোভ
পাবনার সাঁথিয়ায় ২১শে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাঁথিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির কেউ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়।
সাঁথিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মল্লিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক ইকবাল রাসেল, বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান জাহিদুজ্জামান রিপন প্রমুখ বিএনপি নেতৃবৃন্দ সোশাল মিডিয়ায় বিষয়টি তুলে ধরে ইউএনও রিজু তামান্নার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন।
সোশাল মিডিয়ায় ইউএনও’র বিএনপিকে মাইনাস করার নীল নকশা এটা। আবার অনেকে লিখেছেন নির্বাচনের আগে অন্যান্য ইউএনও বদলী হলেও সাঁথিয়ার ইউএনও অদৃশ্য কারণে বহাল তবিয়তে। আর এক বিএনপি নেতা বলছেন, ইউএনও রিজু তামান্না একটি দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এসেছেন। ওনার এসব কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বছরের মার্চ মাস থেকে তিনি (ইউএনও রিজু তামান্না) এখানে কর্মরত রয়েছেন। নির্বাচনের আগে কর্মকর্তাদের নড়চর হলেও তিনি জামায়াত নেতাদের ইচ্ছেয় বহাল তবিয়্যতে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনেন এ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমান।
অপরদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভুয়া সাংবাদিকদেরকে পর্যবেক্ষণ কার্ড দিয়েছেন তিনি। একটি মানহীন পত্রিকার ৮ জনকে পর্যবেক্ষণ কার্ড দেন তিনি যা সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। এ নিয়ে সাংবাদিক ও স্থানীয় সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দার ঝড় ওঠে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজু তামান্নার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, ওনারা যা লিখছেন তা ঠিক না। কারণ, এ ব্যাপারে কাউকে কোন চিঠি দেয়া হয়নি। নবনির্বাচিত এমপি মহোদয় তার একটা প্রোগ্রামে আসছিলেন। সেখান থেকে তাদের নেতৃবৃন্দ ফোন দিলেন যে, এমপি মহোদয় আসছেন। ওই প্রোগ্রামে তিনি থাকতে চান। তারপর তিনি ওই প্রোগ্রামে আসছেন। তা ছাড়া একজন এমপি যদি আসতে চায়, আমি কি না করতে পারি?