ছাত্রদল কর্মীর নারী কেলেঙ্কারি : হাবিপ্রবির দুই হলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইকোনমিকস ক্লাবের ভিপি ও ছাত্রদল কর্মী সুজন ইসলামকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগের জেরে শহীদ জিয়াউর রহমান হল ও শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। এতে অন্তত ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে তথ্য এসেছে।
জানা যায়, শনিবার রাতে ইকোনমিকস বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ইকোনমিকস ক্লাবের ভিপি সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে এক নারীকে মেসেঞ্জারে উত্যক্ত করার অভিযোগে কিছু স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এর জেরে রোববার বিকালে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের একদল শিক্ষার্থী তাকে হল থেকে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সুজন ইসলাম আবরার ফাহাদ হলের কয়েকজন শুভাকাঙ্খীকে ডেকে আনেন। এতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়।
এক পর্যায়ে জিয়া হলের শিক্ষার্থীরা আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের ভেতরে রেখে হলের প্রধান গেট বন্ধ করে দেয়। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যা কয়েক দফায় দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান বলেন, “সংঘর্ষ চলমান, এখন ব্যস্ত আছি পরে কথা হবে।”
অভিযুক্ত সুজন ইসলাম বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনীতি ক্লাবের নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এআইয়ের মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে স্কিনশটগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে। ইতোমধ্যে আমি দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করেছি৷”