পাঁচ দফা দাবিতে ইবি শাহ আজিজুর রহমান হল শাখা শিবিরের স্মারকলিপি

অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও দ্রুত অ্যালটমেন্ট দেওয়া-সহ পাঁচ দফা দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাহ আজিজুর রহমান হল প্রভোস্ট বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে শাহ আজিজুর রহমান হল শাখা ছাত্রশিবির।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা দুইটার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. এটিএম মিজানুর রহমানের অনুপস্থিতিতে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন হাউজ টিউটর সহযোগী অধ্যাপক মো. আনারুল ওহাব শাহিন।

স্মারকলিপিতে শাহ আজিজুর রহমান হলে দীর্ঘদিন পর সিট বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও কার্যক্রম বিলম্বিতের অভিযোগ উল্লেখ করে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলে—অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে সিট নিশ্চিতকরণ, স্থায়ী সিট বন্টন নীতিমালা প্রণয়ন, প্রশাসন কর্তৃক নিয়মিত সিট বরাদ্দ, হলের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিশ্চিতকরণ।

হল শাখা শিবির সভাপতি শাহ মো. মারুফ হাসান বলেন, “২০২৪ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে হলে কোনো অ্যালোটমেন্ট দেওয়া হয়নি; বর্তমানে চলমান অ্যালোটমেন্টের সময়সীমাও ২০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ২০ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে—তাহলে সিট বণ্টনে এত দীর্ঘসূত্রতা কেন? অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুত অপসারণ করে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও স্থায়ী নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ন্যায্য আবাসন অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. এটিএম মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

হাউজ টিউটর সহযোগী অধ্যাপক মো. আনারুল ওহাব বলেন, “প্রভোস্ট ছুটিতে আছেন। আমি স্মারকলিপি রিসিভ করেছি। প্রভোস্ট আসলে আমরা বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব।”

উল্লেখ্য, শাহ আজিজুর রহমান হল সর্বশেষ অ্যালটমেন্ট দেয় ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে। দীর্ঘদিন অ্যালটমেন্ট না দেওয়াতে অনেকে অবৈধভাবে হলে অবস্থান করছে।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন