হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে ইবি হল শাখা শিবিরের স্মারকলিপি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ ও মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দসহ পাঁচ দফা দাবিতে হল প্রভোস্টের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে হল শাখা ছাত্রশিবির।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজার কাছে স্মারকলিপিটি জমা দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

স্মারকলিপিতে তাদের দাবিগুলো হলো— অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণ করে মেধার ভিত্তিতে আসন নিশ্চিত করা; সুষ্ঠু ও স্থায়ী আসন বণ্টন নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিয়মিত সিট অ্যালটমেন্ট; হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি স্থাপন; নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিশ্চিত করা।

এ বিষয়ে হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আতিয়ার রহমান বলেন, “আমরা প্রভোস্ট স্যারের কাছে পাঁচটি বিষয় নিয়ে গিয়েছিলাম। স্যার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।”

হলের আসন বরাদ্দের বিষয়ে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, “আমি প্রভোস্ট হিসেবে যোগদানের আগেই হলে কিছু সমস্যা ছিল। বিগত প্রভোস্টের সময়ে অতিরিক্ত প্রায় ৩৩ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সিট খালি না থাকায় তাদের সিটে উঠানো সম্ভব হয়নি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের মধ্যে ৮-৯ জন ছাড়া প্রায় সবাইকে সিট দিতে পেরেছি।”

তিনি আরও বলেন, “২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছে। আশা করছি, খুব দ্রুত কিছু সিট খালি হবে। ওই ৮-৯ জনকে সিট দেওয়ার পর নতুন করে যখন সিট বরাদ্দ শুরু করব, তখন সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই সিট দেওয়া হবে।”

হল পরিচালনা প্রসঙ্গে প্রভোস্ট বলেন, “আমি খুব সুন্দরভাবে হলটি পরিচালনা করতে চাই। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম, মেধার বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা বহিরাগতদের কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না।”

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন