প্রধানমন্ত্রীর সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের সূচনা : মাহাদী আমিন
যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত ও ঐতিহাসিক সফর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন বলেছেন, ‘আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্য কাজ এবং দেশের স্বার্থরক্ষা করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানান।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার এবারের সফরটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ করা হয়েছে বলে জানান ড. মাহাদী আমিন। নিজের পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রে যেতে এক দিন এবং ফিরতে এক দিন সময় লাগবে। আর মাঝখানে মাত্র চার দিন অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অল্প সময়ের মধ্যে কোনো সময় অপচয় না করে একের পর এক দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বৈঠক এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
সব মিলিয়ে মাত্র ছয় দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত স্বল্পতম একটি বহর রয়েছে। আনুষ্ঠানিক সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন মাত্র ৩৫ জন। যার মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ১৫ জন এবং বাকিরা নিরাপত্তা, গণমাধ্যম ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত জরুরি ব্যক্তিবর্গ।
ড. মাহাদী আমিন তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর তাদেরই সন্তান এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষের কথা তুলে ধরবেন। একই পরিবারের তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে এটি বিশ্বমঞ্চে দেশের স্বার্থ, সরকারের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার এক অনন্য মুহূর্ত।
তিনি বলেন, এ ছাড়া এই সফরের আরেকটি ঐতিহাসিক দিক হলো—প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, ঠিক সেই একই সময়ে জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির আসনে থাকবেন তার সরকারেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
দীর্ঘ দুই দশকের আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক সরকার আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের কণ্ঠ নিয়ে বিশ্বদরবারে উপস্থিত হচ্ছেন। এটি কেবল একটি সাধারণ বিদেশ সফর বা জাতিসংঘে দেশকে তুলে ধরা নয়; এটি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও মর্যাদা রক্ষার এক নতুন ইতিহাসের সূচনা।