শব্দদূষণ কমাতে ছাত্রী হল পরিদর্শনে জাবি প্রশাসন-পরিবেশ অধিদপ্তর

শব্দদূষণ কমাতে ছাত্রী হল পরিদর্শনে জাবি প্রশাসন-পরিবেশ অধিদপ্তর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে শব্দদূষণ কমাতে উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে নবনির্মিত ছাত্রী হলগুলো অবস্থিত হওয়ায় যানবাহনের হর্ন ও সৃষ্ট শব্দে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন হলের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি দল ফজিলাতুন্নেসা হল পরিদর্শন করেন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা মহানগর, ঢাকা অঞ্চল ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে শিক্ষার্থীরা জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের খুব কাছাকাছি নবনির্মিত ছাত্রী হলগুলো হওয়ায় সেখানে নিয়মিত শব্দদূষণের শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কে চলাচলকারী বাস ও অন্যান্য যানবাহনের হর্ন তাদের পড়াশোনায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম বলেন, যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর ‘নো হর্ন’ প্ল্যাকার্ড স্থাপনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ছাত্রী হল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

শব্দদূষণ কমাতে ছাত্রী হলসংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে ও বাইরে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপাচার্য।

এ ছাড়া পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে ‘গ্রিন ক্লাব’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

পরে উপাচার্য, দুই উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ছাত্রী হলগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং শব্দদূষণের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট হলের ওয়ার্ডেন, হল সুপার এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন