পরবর্তী রাকসু আদায়ের জন্য প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচী পালন করবেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।
রবিবার (১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
গতবছর রাকসু নির্বাচন হওয়ার মধ্য দিয়ে সচল হয়েছিল দীর্ঘ ৩৫ বছরের স্থবির রাকসু। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে সর্বশেষ রাকসুর মেয়াদ। পরবর্তী রাকসুর তফসিল ঘোষনার দাবি জানান আম্মার। একই সাথে রাকসু আদায়ের জন্য সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাজ করে যেতে আহ্বান জানান তিনি।
আম্মার বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, নেতৃত্ব বিকাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রাকসু। দ্রুতই পরবর্তী নির্বাচনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করতে হবে।
রাকসু নির্বাচন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের টালবাহানার অভিযোগ করে আম্মার বলেন, ‘প্রশাসন বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কথা বলছে। কাউকে বলছে অডিটের জন্য, কাউকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য। ভর্তি পরীক্ষার জন্য আটকে থাকার সুযোগ নেই, কারণ ভর্তি পরীক্ষার কমিটি আলাদাভাবে কাজ করবে এবং রাকসুর কমিটি আলাদাভাবে কাজ করবে। কোনো সাংবাদিকদের বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠিক নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ঠান্ডা আছে, রাকসু দেওয়ার মতো পরিবেশ আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ধাপে ধাপে রাকসু আদায়ের কর্মসূচি পালন করবো। স্মারকলিপি দিবো,মানববন্ধন করবো,শিক্ষার্থীদের কাছে যাবো এবং অবশেষে আমরা অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করবো। এরপর প্রয়োজনে কঠোর কর্মসূচীতে যাব।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যথেষ্ট স্থিতিশীল ও ভালো আছে এবং রাকসু দেওয়ার মতো পরিবেশ এর থেকে ভালো হতে পারে না। তাই প্রশাসন যেন রাকসু নিয়ে কোনো টালবাহানা না করে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর রাকসুর বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।