অশ্রুসিক্ত চোখে বাবার সমাধিতে তারেক রহমান

অশ্রুসিক্ত চোখে বাবার সমাধিতে তারেক রহমান

অশ্রুসিক্ত চোখে বাবার সমাধিতে তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত সমাধিতে গিয়ে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত করেন। প্রায় দুই দশক পর বাবার সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে মোনাজাতের সময় তারেক রহমানকে বেশ আবেগপ্রবণ দেখা যায়।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তারেক রহমান সমাধিস্থলে পৌঁছান। সেখানে পুস্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। এরপর হাত তুলে বাবার রুহের মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেন। মোনাজাতের সময় তাঁর দুচোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়, বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ মুছছিলেন তিনি।

১৯৮১ সালে যখন জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, তখন তারেক রহমানের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। দীর্ঘ সময় পর সেই বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি একা কিছুক্ষণ নীরবে স্মৃতিচারণ করেন।

মোনাজাতে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবারের মতো আজও তারেক রহমানের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে একটি বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হন। পথিমধ্যে বাসের জানালা দিয়ে হাত নেড়ে অপেক্ষমান সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন তিনি। নেতাকর্মীদের চাপে নিরাপত্তাকর্মীদের ভিড় সামলাতে বেশ হিমশিম খেতে হয়।

উল্লেখ্য, নির্বাসিত জীবনে থাকাকালীন ২০১৫ সালে তিনি তাঁর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকেও হারিয়েছেন, যাঁর জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তাঁর হয়নি।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন