জাকসুর এক বছরের কার্যক্রমে ব্যয় সাড়ে ৩ কোটি টাকার বেশি

৩৩ বছর পর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের পর এক বছরে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার কার্যক্রম বাস্তবায়নের দাবি করেছে ১০ম জাকসু। এসব কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বাজেট ছিল মাত্র ১৮ লাখ টাকা। বাকি অর্থ বিভিন্ন স্পনসর ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাকসু।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ১০ম জাকসুর সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জাকসুর এজিএস (পুরুষ) ফেরদৌস আল হাসান।

সংবাদ সম্মেলনে ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের জন্য মাত্র ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই সীমিত বাজেটে জাকসুর কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের মাত্র ১৮ লাখ টাকা দিয়েছে। এই অল্প টাকায় আমাদের কার্যক্রম চালানো মোটেও সহজ ছিল না।”

তবে প্রশাসনের সীমিত বরাদ্দের বাইরে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ ও সহযোগিতা নিয়ে জাকসুর কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ফেরদৌস আল হাসান বলেন, “আমরা জাকসু শুরু থেকেই বিভিন্ন স্পনসর ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার কাজ করতে সক্ষম হয়েছি।”

জাকসুর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া ১৮ লাখ টাকার বিপরীতে বিভিন্ন স্পনসর ও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকার অতিরিক্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রশাসনের বরাদ্দের তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি আর্থিক মূল্যের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি করেছে ১০ম জাকসু।

সংবাদ সম্মেলনে ১০ম জাকসুর মেয়াদে বিভিন্ন খাতে নেওয়া উদ্যোগ, বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং এসব কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থ ও সহযোগিতা সংগ্রহের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন