চলতি বছরেই ৭ম সমাবর্তনের দাবি জাকসুর

চলতি বছরেই ৭ম সমাবর্তনের দাবি জাকসুর

২০২৬ সালের মধ্যেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু)। এ দাবিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সংগঠনটি।

আবেদনে বলা হয়, একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ একাডেমিক পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে সমাবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ ৬ষ্ঠ সমাবর্তনের পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করলেও নিয়মিত সমাবর্তন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় তারা শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই অর্জন আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জাকসু বলছে, ২০২৬ সালের মধ্যেই ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি, প্রশাসনিক কার্যক্রম, একাডেমিক তথ্য হালনাগাদ, নিবন্ধনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর প্রায় তিন বছর পার হয়ে গেলেও পরবর্তী সমাবর্তন আয়োজন করা হয়নি। ফলে এ সময়ের মধ্যে যারা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন, তারা তাদের শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন যথাযথভাবে উদযাপন করতে পারেননি।”

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত প্রস্তুতি গ্রহণ করে চলতি বছরের মধ্যেই ৭ম সমাবর্তন আয়োজন করা। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান এবং তাদের গৌরবময় অর্জনকে স্মরণীয় করে তোলা সম্ভব হবে।

ফেরদৌস আল হাসান আরও বলেন, “এ বছরের সিন্ডিকেটেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আগামী ২০২৭ সালের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সমাবর্তন আয়োজনের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে জাকসু ২০২৬ সালের মধ্যেই সমাবর্তন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “উপাচার্য জাকসুকে আশ্বস্ত করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই ৭ম সমাবর্তনের প্রস্তুতি কমিটি গঠন করা হবে। ২০২৩ সালের সিন্ডিকেটেও উপাচার্য ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা এর বাস্তবায়ন দেখতে পাইনি। এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না।”

জাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় চলতি বছরের মধ্যেই ৭ম সমাবর্তন আয়োজন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং একটি উৎসবমুখর একাডেমিক পরিবেশ তৈরি হবে।

আবেদনের শেষাংশে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০২৬ সালের মধ্যেই ৭ম সমাবর্তন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায় জাকসু।

হেডলাইন লাইন-ব্রেক (শব্দের মাঝে ↵ চাপুন)
প্রিফিক্স ও প্রতি লাইনের ফন্ট সাইজ ও কালার
লাইন স্পেসিং
--
হেডলাইনের পজিশন