সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে চলাচলে কড়াকড়ি ও নানা বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে দুই দেশের রুটে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১৫৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন প্রায় ২২ হাজার ৭২১ জন প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এএসএম স্কোয়াড্রন লিডার সাকিবের দেওয়া সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাতিল হওয়া মোট ১৫৯টি ফ্লাইটের মধ্যে ৮২টি সরাসরি এবং ৭৭টি ট্রানজিট ফ্লাইট। সরাসরি বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২০টি, রিয়াদ এয়ারলাইনসের ১৫টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট।
অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট বা কানেক্টিং ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্ডিগো। এই সংস্থার ৩০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
হঠাৎ করে এত বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিমানবন্দরে এসে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। ফ্লাইট স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে এয়ারলাইনসগুলোর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো বার্তা না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন সৌদিগামী যাত্রীরা।