বিশ্বকাপ ম্যাচ প্রদর্শনী ঘিরে উত্তেজনা: রাকসু জিএসের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন আম্মার।
বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নুরুল ইসলাম শহিদ।
পোস্টে শহিদ দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখতে তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে হবিবুর রহমান হল মাঠে যান। খেলার একপর্যায়ে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ও হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদারের আহ্বানে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে নির্ধারিত স্থানে বসেন। সেখানে বসার কিছুক্ষণ পর রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি এসে তাঁকে স্থানটি ছাড়তে বলেন।
শহিদের অভিযোগ, কারণ জানতে চাইলে আম্মার তাঁর গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং একপর্যায়ে তাঁকে জোরপূর্বক ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমি তাঁর গায়ে স্পর্শও করিনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে তাঁকে স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল। মাঠের একটি অংশে ছাত্রীদের বসার ব্যবস্থা ছিল। স্ক্রিনের সামনে কেউ অবস্থান করলে তাঁদের খেলা দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ সেখানে বসার কারণে পেছনের সারির শিক্ষার্থীদেরও খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে তাঁকে অন্য পাশে বসতে বলা হয়। পরে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।’
এ বিষয়ে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার সূচনা কীভাবে হয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। খেলা চলাকালে বিরোধের কারণে পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
