রাবিতে প্রথম আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা শুরু, অংশ নিচ্ছে সাত বিশ্ববিদ্যালয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা-২০২৬। দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় তিনদিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জিমনেশিয়ামে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ। বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষ—উভয় বিভাগে আটটি করে মোট ১৬টি ওজন শ্রেণিতে দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছেন। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় গেমস সাব-কমিটির সভাপতি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আশিকুর রহমান।
উদ্বোধন ঘোষণা করে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় এতে অংশগ্রহণ করছে। এটি একটি মহৎ উদ্যোগ। খেলাটি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’
প্রতিযোগিতার সাংগঠনিক ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য-সচিব এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোছা. রোকসানা বেগম বলেন, ‘তায়কোয়ানডো খেলায় আমরা জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছি। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই সফলভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করাই আমাদের লক্ষ্য। সার্বক্ষণিক অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের খোঁজখবর রাখছি এবং সবাই সন্তুষ্ট। তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় এবার সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিয়েছে।’
আয়োজকরা জানান, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তায়কোয়ানডো খেলাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা এবং জাতীয় পর্যায়ের জন্য দক্ষ খেলোয়াড় তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
