টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ, কবে-কখন মাঠে নামবে
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে মাঠে গড়াবে ক্রিকেটের মারকারি সংস্করণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের বিশ্বকাপের দশম আসর। ৭ ফেব্রুয়ারী পর্দা উঠে চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত।
আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আয়োজক দেশ ভারতে এক অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপের সূচী প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানেই এক ড্রয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয় গ্রুপ।
বিশ্বকাপের এবারের আসরে বাংলাদেশ পড়েছে ‘সি’ গ্রুপে। যেখানে বেশ কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে টাইগারদের। এই গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর ইংল্যান্ড। গ্রুপে তুলনামূলক সহজ দুই প্রতিপক্ষ হলো- নেপাল আর প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইতালি।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে।
বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইতালির সঙ্গে। কলকাতায় এ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টায়। টাইগারদের তৃতীয় ম্যাচ ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের সঙ্গে। বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় এ ম্যাচটিও হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে।
এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে নেপালের সঙ্গে। মুম্বাইয়ে এ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।
যৌথভাবে বিশ্বকাপের আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা হলেও ফাইনাল হবে ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। তবে সেই ভেন্যূ বদলে যাবে যদি পাকিস্তান ফাইনালে ওঠে। তখন শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে।
এছাড়াও টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল ম্যাচ দুটি রাখা হয়েছে যথাক্রমে আহমেদাবাদ ও কলকাতার। এখানেও ভেন্যূ বদলাবে পাকিস্তান সেমিফাইনালে ওঠলে। তখন একটি সেমিফাইনাল যাবে নিরপেক্ষ ভেন্যূ শ্রীলঙ্কায়।
উল্লেখ্য, এবারই প্রথম ২০টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। নিজেদের সেরা প্রমানের লড়াইয়ে অংশ নেওয়া দলগুলোকে ভাগ করা হয়েছে ৪টি গ্রুপে। প্রতিটি গ্রুপে আছে পাঁচটি করে দল।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি দল সুপার এইটে খেলার সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে আরও কঠিন যাবে বাংলাদেশের জন্য।