৪৫তম বিসিএস-এ ক্যাডার মাভাবিপ্রবির ৭ শিক্ষার্থী
৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে প্রকাশিত এই ফলাফলে মোট ২ হাজার ৩০৯টি পদের বিপরীতে এক হাজার ৮০৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।
এ ফলাফলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) থেকে প্রশাসন ক্যাডারে দ্বিতীয় স্থান অর্জনসহ মোট ৭ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ন ক্যাডারে স্থান করে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
মাভাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন মাভাবিপ্রবির শিক্ষার্থী নাহিদ আসওয়াফ। তিনি প্রশাসন ক্যাডারে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। এছাড়াও মির্জা আল মামুন এবং তামান্না ফারজানা প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন।
শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন- সামিউল ইসলাম প্রান্ত, শাহরিয়ার খান ও মোশারফ হোসেন নয়ন। কাস্টম ক্যাডারে সুপারিশ পেয়েছেন মাজহারুল হাসান নাহিদ।
ছাত্র কল্যাণ ও পরামর্শ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর মোঃ ফজলুল করিম বলেন, “৪৫ তম বিসিএস-এ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশাসন ক্যাডারে দ্বিতীয় স্থান অধিকারসহ ছয় জন সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছে, এতে আমরা সবাই আনন্দিত। বিসিএস পরীক্ষা খুবই চ্যালেঞ্জিং হয়ে থাকে এবং এখানে ঢাবি, রাবি, বুয়েটসহ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ মেধাবীরা অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ভালো পজিশন অর্জন করা খুবই চ্যালেঞ্জি এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ধারাবাহিকভাবেই এ সাফল্য অর্জন করছে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমরা চাই এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।”
প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত আইসিটি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মির্জা আল মামুন বলেন, “এই সাফল্য শুধু আমার নয়; আমার মায়ের দোয়া, ত্যাগ আর আশা আমাকে এখানে এনে দাঁড় করিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “সেমিস্টার ড্রপ বা ব্যর্থতা—কোনো কিছুই আপনার সফলতার পথ থামিয়ে দিতে পারে না, যদি আপনি নিজে থেমে না যান। ভুল হলেও শিখতে হবে, পরিকল্পনা করতে হবে, নিয়মিত পড়তে হবে, ধৈর্যই বিসিএস প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় শক্তি।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, “দেশের সেবা করা, মানুষের কাজে আসা এবং পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা—এটাই আমার লক্ষ্য।”