বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানালেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দর হয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ঢাকায় অবতরণের পর তারেক রহমানকে বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। এ সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খান এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন- ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, দেশের মাটিতে পা রাখলেন তারেক রহমান
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে লন্ডন পাড়ি দিয়েছিলেন তারেক রহমান। এর আগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ১৮ মাস কারান্তরালে রাখা হয়, যেখানে তিনি চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন।
প্রবাসে থাকাকালীন ২০১৫ সালে তিনি তাঁর ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে হারান, যাঁর জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগও তাঁর হয়নি। দীর্ঘ এই প্রবাস জীবনেও তিনি ভার্চুয়ালি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে রাজপথের আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে দলের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে তাঁর জন্য বাসভবন ও অফিস গুছিয়ে রেখেছে দল। তিনি রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর ভবনে অবস্থান করবেন, যার পাশেই তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ‘ফিরোজা’।
এছাড়া নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয়ে তাঁর জন্য আলাদা চেম্বার তৈরি করা হয়েছে। একই সাথে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গুলশানে আরও একটি আলাদা নির্বাচনী অফিস ভাড়া নিয়েছে বিএনপি।