হাতিয়ায় ধর্ষণে ঘটনায় ইবি বৈছাআ’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামীকে বেঁধে রেখে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বৈছাআ ইবি শাখার মুখপাত্র সাদীয়া মাহমুদ মীম সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ ও নিন্দা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত হিসেবে সাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতা এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে জাতীয় দৈনিক ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ ও ‘দৈনিক জনকণ্ঠ’-এ প্রকাশিত হয়েছ।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার আহ্বায়ক এস এম সুইট ও সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরও যদি এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক সহিংসতা সংঘটিত হয়, তবে তা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এ ধরনের সন্ত্রাস, দমন-পীড়ন ও নারীর ওপর বর্বরতা বরদাস্ত করবে না।’
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট প্রদান একটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার কারণে একজন নারীকে এভাবে নির্যাতনের ঘটনা মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। নতুন সরকার গঠনের পর এই ঘটনার বিচার ও চলমান সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আসন্ন সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী দেশব্যাপী ভিন্ন মতের ব্যক্তিদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি ও দমনমূলক আচরণ চালাচ্ছে, এমন অভিযোগ বিভিন্ন স্থানে উঠে আসছে। যদি এসব অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
তারা হুশিয়ারী করে বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো স্বৈরাচারী মানসিকতা, রাজনৈতিক সন্ত্রাস বা নারীর ওপর নিপীড়নের স্থান নেই। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় ছাত্র-জনতা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকবে।