সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও এমপি: দুটি শপথই নিলো জামায়াত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা। তবে জামায়াতের প্রার্থীরা সংসদ সদস্য পদের পাশাপাশি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত হলেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে প্রথম ধাপে শপথ নেন নির্বাচনের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে বিএনপি সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দ্বিতীয় ধাপে জামায়াত ও অন্যান্য জোটের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত ৬৮ জন সংসদ সদস্য প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন এবং এর পরপরই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদাভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে বড় দুই রাজনৈতিক পক্ষের মধ্যে ভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, যেহেতু সংসদ সদস্যরা এই পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি, তাই তারা এখনই এই পদে শপথ নিচ্ছেন না।
অন্যদিকে, জামায়াত নেতারা মনে করেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে এবং এতে অংশ নেওয়া জরুরি।
উল্লেখ্য, জামায়াতের সঙ্গে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের সময় কক্ষ ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা।